ভারত দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে: জয়সওয়াল
ইবাংলা.প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের আমন্ত্রণ নিয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার পর তিনি বলেন, মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হয়।
আরও পড়ুন…রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই: প্রধানমন্ত্রী
আপনি (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে) আমন্ত্রণের যে ব্যাপারটি উল্লেখ করলেন, আমরা দ্বিপাক্ষিক সফর এবং একইসঙ্গে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা আপনাদের আরও পরবর্তী তথ্য জানাব।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের আয়োজনে নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রিকসের নিয়ম অনুযায়ী, বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ। সেই সূত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।গত ১৪ জুলাই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ব্রিফিংয়ে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং’ (র)–এর প্রধান পরাগ জৈনের দুই দিনের বাংলাদেশ সফর নিয়েও প্রশ্ন করেন একজন সাংবাদিক।
প্রশ্নে ওই সাংবাদিক বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে ‘র’–প্রধান বৈঠক করেছেন।
ওই সফরের উদ্দেশ্য কী, তা জানতে চান তিনি। এ বিষয়ে ‘কিছুই জানা নেই’ বলে এড়িয়ে যান জয়সোয়াল। তিনি বলেন, হয়তো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আলোকপাত করতে পারবে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে গতকাল জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রিকসে ‘প্রধানমন্ত্রী’কে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ‘চেয়ারপাসন অব বিমসটেক’কে। এই পার্থক্যটা আপনারা বোঝবার চেষ্টা করেন।
এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন এবং সেই চিঠিটি আমাদের সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমন্ত্রণ একটি আছে, সেটা আমরা দেখব।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে.