জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর অনুকূলে এককালীন ১শ’ ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতের বিশেষ বরাদ্দ উপখাত থেকে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে।
আরও পড়ুন…পেছাচ্ছে ইউপি নির্বাচন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখা থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখার উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশে স্বাক্ষর করেন।আদেশে বলা হয়, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদগুলোর অনুকূলে মোট ১শ’ ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অবমুক্তির সরকারি মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আদেশ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ট্রেজারি রুলস (টিআর) ফরম-৩২ অনুযায়ী বিল প্রস্তুত করতে হবে। ওই বিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।
বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিলের বিপরীতে অ্যাকাউন্ট পে চেক বা অ্যাডভাইস ইস্যু করা হবে।
আদেশে বলা হয়েছে, জেলা কার্যালয় থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হবে। আর উপজেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো অ্যাডভাইসের ভিত্তিতে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করবে।এই ব্যয় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের নির্ধারিত মঞ্জুরি ও সংশ্লিষ্ট হিসাব খাতের বরাদ্দ থেকে মেটানো হবে।
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০২১ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কোনো কাজে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।
একইসঙ্গে বরাদ্দ থেকে অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।স্থানীয় সরকার বিভাগের এ অর্থ অবমুক্তির বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতিও রয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে সম্মতি দেয়।