জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বিপজ্জনক খালি কীটনাশক প্যাকেট নিরাপদে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পরিচালিত মিনি পাইলট প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা আয়োজন করেছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে কৃষক ও কীটনাশক বিক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্বেচ্ছায় খালি কীটনাশক পাত্র সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়। আট মাসে মোট ১.৩৬ টন কীটনাশক প্যাকেট বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
এফএও বাংলাদেশের সিনিয়র টেকনিক্যাল ও পলিসি অ্যাডভাইজার মার্টিন ভ্যান ডি গ্রোপ বলেন, “আমরা কৃষকদের নিরাপদ কৃষি পদ্ধতি অনুসরণে সহায়তা করেছি এবং বিপজ্জনক কীটনাশক বর্জ্য সফলভাবে নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করেছি। ভবিষ্যতে ডিএই এবং বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন…তরুণদের কণ্ঠস্বর জোরদারে ‘যুব কণ্ঠ প্রক্রিয়া’ চালু
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উপপরিচালক ড. রবিয়া নূর আহমেদ বলেন, “দায়িত্বশীল কীটনাশক ব্যবহার খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষকের স্বাস্থ্য ও টেকসই কৃষির জন্য অপরিহার্য।
এজন্য পর্যবেক্ষণ, শিক্ষা ও সঠিক নিয়ম মানা এখন অত্যন্ত জরুরি।কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা সারা দেশে কীটনাশক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি টেকসই জাতীয় মডেল তৈরি করতে সহায়ক হবে।