কাকরাইল সংঘর্ষে সেনা-পুলিশ মোতায়েন: আইএসপিআরের ব্যাখ্যা

ইবাংলা.প্রেস | ডেস্ক প্রতিবেদক | ঢাকা, শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে পরিস্থিতি ও বল প্রয়োগের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।

আরও পড়ুন…জাপা কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে গুরুতর আহত ভিপি নুর

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দুই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং মশাল মিছিলের মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং স্থানীয় এলাকাজুড়ে ভয়-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে ও স্থান ত্যাগ করতে আহ্বান জানায়। কিন্তু বারবার সতর্ক করার পরও নেতাকর্মীরা সহিংসতা চালিয়ে যায় এবং একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর সংগঠিত আক্রমণ করে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়ে গেলে পুলিশের অনুরোধে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। এ সময় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যও আহত হন বলে আইএসপিআর জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু কিছু নেতাকর্মী ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে। বিজয়নগর, নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকায় জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শেষ পর্যন্ত বল প্রয়োগে বাধ্য হয়। এ বিষয়ে আইএসপিআর জানায়, মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার ইতোমধ্যেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেনাবাহিনী সেই নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেছে, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সর্বদা প্রস্তুত।

ইবাংলা.প্রেস/ বাএ

আইএসপিআরেরব্যাখ্যা