ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউএনও কে অপহরণ চেস্টার অভিযোগ!

রুবেল ভূইয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সাম্প্রতিক একটি ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত সি*ন্ডিকেট কতটা শক্তিশালী ও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের উদ্যোগে অ*বৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান চালানো হলে তারা শুধু প্র*তিরোধই নয়, বরং দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার ওপর ভ*য়ঙ্কর হা*মলা ও অপহ*রণের চেষ্টা পর্যন্ত করতে দ্বিধা করছে না।

এ থেকে স্পষ্ট যে স্থানীয় প্রশাসন যখন আইন প্রয়োগে নামে, তখন এ ধরনের চক্র নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে ভী*তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে। এতে বোঝা যায়—তাদের শক্তি কেবল অর্থনৈতিক নয়, তারা সামাজিক ও রাজনৈতিক ছত্রছায়াও ভোগ করছে।

ফলে সাধারণ মানুষ, যারা সরাসরি পরিবেশগত ক্ষ*তি ও নদীভাঙনের শিকার, তারা একরকম অসহায় হয়ে তাকিয়ে থাকে। কারণ প্রশাসনকেও যখন আ*ক্রমণের মুখে পড়তে হয়, তখন সাধারণ নাগরিকদের প্র*তিরোধ করার সক্ষমতা তো আরও দুর্বল হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন…চারঘাটে পানি সরবরাহ প্রকল্পে দুর্নীতি, শরণখোলায় স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়মে দুদকের অভিযান

আজকের ঘটনায় আশুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার নিজ দায়িত্ব পালনের সময় অ*পহরণের মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। এটি নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয়; বরং আমাদের নদী, পরিবেশ ও প্রশাসনিক কর্তৃত্বের ওপর এক গুরুতর হুমকি।

এ অবস্থায় প্রয়োজন উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সদিচ্ছা, যাতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। একই সঙ্গে প্রশাসনকে পর্যাপ্ত স*শস্ত্র নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই চ*ক্রকে বিচারের আওতায় আনা অত্যাবশ্যক।

পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করে পরিবেশ রক্ষায় তাদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে হবে।কারণ নদী রক্ষা মানে কেবল পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্ব রক্ষা।

ইবাংলা বাএ

অপহরণঅভিযোগচেস্টার