ইরান, লেবানন এবং ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের সঙ্গে ‘যুগপৎ’ যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) জোর প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তেল আবিব।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২।প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইডিএফ নিয়ে ৪ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়া’য়াল জামির।
সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ এই প্রস্তুতি।যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে স্যাটেলাইটে হামলা এবং মহাকাশ থেকে ভূপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার মতো বিষয়বস্তুও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন দেশ ও ভূখণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ইরানকে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, অতিমাত্রায় মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যায় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে— সাধারণ জনগণের মনোযোগ সেখান থেকে সরাতে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান।
আরও পড়ুন…বৈষম্যবিরোধী সেই নেতা জামিন পেলেন
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্ভাব্য সামরিক প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবে দাপ্তরিকভাবে ইরানের বিক্ষোভ সম্পর্কে মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছে ইসরায়েলের সরকার।
তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোলাখুলিভাবে ইরানে চলমান বিক্ষোভকে সমর্থন করেছে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।সেইসঙ্গে মোসাদ এও দাবি করেছে যে ইরানে বিক্ষোভ সংগঠিত করতে তাদের হাত ছিল।
গত ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ সামলাতে গিয়ে আক্ষরিক অর্থেই হিমশিম খাচ্ছে ইরানের ইসলামি সরকার। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন নিহত এবং আহত হয়েছেন।
বিক্ষোভকারীদের অনেকেই এই সরকারের অবসান চেয়ে রাজতন্ত্র পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে পতন ঘটে ইরানের রাজতন্ত্রের এবং ক্ষমতায় আসে ইসলামপন্থি সরকার।