‘সরকার পরিবর্তনে’ তরুণ-যুবাদের ভূমিকা চান ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

▶ বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ‘সরকার’ পরিবর্তন চান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত এক গোল টেবিল আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

Islami Bank

‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও আজকের প্রেক্ষাপট, আমাদের করণীয়’শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আমরা সবাই পরিবর্তন চাই জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে আমরা পরিবর্তন চাই। এই পরিবর্তন করাতে হলে সবার আগে তরুণ ও যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। সেখানে রাজনৈতিক দলগুলো অবশ্যই তাদের ভূমিকা পালন করবে। আর আমরা আন্দোলনে আছি এবং আন্দোলন করছি।

আওয়ামী লীগ সরকারেন অধীনে কখনো নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র তরে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটনানোর চেষ্টা করা হয়েছে, এটার একটি উদ্দেশ্য- সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। আর উদ্দেশ্য হলো, বর্তমানে যারা বেআইনীভাবে, জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে, তাদের ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করা এবং সামনে যে নির্বাচন নির্বাচন খেলা আসছে, সেই নির্বাচনে আবার জয়লাভ করা। এটাই হচ্ছে, মূল লক্ষ্য।

one pherma

‘এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বলে আসছি, এর সাথে সরকার সম্পূর্ণভাবে দায়ী। কোন কনফিউশন নেই। সরকারের এই ঘটনা ঘটানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে, এখানে বিএনপিকে জড়িয়ে দিয়ে জনগণ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য যে আন্দোলন শুরু করছে, সেই আন্দোলন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়া- এটাই হচ্ছে প্রধান উদ্দেশ্য।’

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র তরে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সরকার এবং সরকারে এজেন্ডা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, একটা কাকতালীয় ব্যাপার। কাকতালীয় না কি কোন যোগসূত্র আছে, তা আমি জানি না। ঘটনা ঘটছে কুমিল্লায়। আর পার্শ্ববর্তী দেশে, ত্রিপুরায় নির্বাচন হচ্ছে। সেই নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটছে। এই সাম্প্রদায়িক বিষয়টিকে নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করা, এটা নতুন ব্যাপার নয়।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বক্তব্য দেন। ◆

ইবাংলা/আরআরসি/এএমকেসি/ ৩১ অক্টোবর, ২০২১

Contact Us