স্বস্তি নিঃশ্বাস নিতে ঝর্ণার শীতল পানিতে পর্যটক

ইবাংলা ডেস্ক

  • সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট দারোগারহাট থেকে পূর্ব দিকের পাহাড়ে রয়েছে সহস্রধারা ঝর্ণা। ছোট দারোগারহাট থেকে রেললাইন পর্যন্ত যে কোনো গাড়িতে, এরপর পাহাড়ি দুর্গম পথ পায়ে হেঁটে প্রায় আড়াই কিলোমিটার গেলে পাওয়া যাবে সহস্রধারা প্রকল্পের বাঁধ।
Islami Bank

বাঁধে পৌঁছলে পাহাড়ি গাছগাছালির অপরূপ সৌন্দর্য আর নানা রকমের পাখির কলকাকলিতে মুহূর্তেই হেঁটে আসার ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। বাঁধের নিচে বাম পাশে রয়েছে গাছগাছালিতে ডাকা হাজার বছরের পুরনো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সহস্রধারা মন্দির। ডান পাশে রয়েছে পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি ও সিএমসির অফিস। এরপর কয়েকটি সিঁড়ি বেড়ে বাঁধের ওপর উঠলে দেখা যাবে তিন দিকে পাহাড়ঘেরা বিশাল হৃদ। মূলত সহস্রধারা ঝর্ণার পানি আটকে রাখতে ওই কৃত্রিম হৃদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হূদের পানি ভ্রমণপিপাসুদের আনন্দ দেয়। আবার শুস্ক মৌসুমে প্রায় দুই হাজার কৃষক কৃষিকাজে ওই পানি ব্যবহার করে। হূদে রয়েছে পরিবেশবান্ধব পা-চালিত দুটি বোট। জনপ্রতি ৪০ টাকা করে ওই বোট দিয়ে পৌঁছাতে হয় সহস্রধারা মূল ঝর্ণার কাছে। পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এক দৃষ্টিনন্দন, অনিন্দ্যসুন্দর এক জলপ্রপাত। প্রায় ৭০-৮০ ফুট উঁচু খাড়া পাথরের পাহাড় বেয়ে সশব্দে অবিরাম গড়িয়ে পড়ে ঝর্ণার ধারা। চারপাশে পাহাড়ের সবুজ শ্যামল পরিবেশ স্থানটিকে করেছে নয়নাভিরাম।

one pherma
  • সহস্রধারা ঝর্ণায় দায়িত্বরত ইকো দলের এক সদস্য জানান, প্রতিদিন দুই থেকে আড়াইশ’ পর্যটক সদস্যধারা ঝর্ণা দেখতে আসেন। শীত মৌসুমে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ইবাংলা/এইচ/০৪ নভেম্বর, ২০২১

Contact Us