ওমিক্রন: বিজিএমইএ’র ১৭ নির্দেশনা

ইবাংলা ডেস্ক

ওমিক্রনের সংক্রমণ এড়াতে এরই মধ্যে সতর্কাবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। সংক্রমণের সম্ভাব্য জায়গাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এবার পোশাক কারখানায় ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭টি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংগঠনটির সচিব মো. ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

Islami Bank
  • শ্রমিকদের ভিড় এড়াতে পোশাক কারখানায় উৎপাদন শুরু ও ছুটির ভিন্ন ভিন্ন সময় নির্ধারণে জোর দিতে হবে।
  • শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা করা। সম্ভব হলে বিভিন্ন বিভাগের কর্মঘণ্টার জন্য আলাদা শিফটের ব্যবস্থা করতে হবে।

  • কারখানায় প্রবেশের সময় শ্রমিকদের দেহের তাপমাত্রা পরিমাপ এবং প্রয়োজনে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে।
  • কারখানায় প্রবেশের সময় প্রধান ফটকসংলগ্ন এলাকায় শ্রমিকদের হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাবান-পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • কাজের জায়গায় শ্রমিকদের ভিড় এড়িয়ে চলার জন্য দুপুরের খাবারের বিরতিসহ অন্যান্য বিরতির জন্য বিভিন্ন বিভাগের শ্রমিকদের আলাদা আলাদা সময় নির্ধারণ করতে হবে।
one pherma

  • কর্মক্ষেত্রে সার্বক্ষণিকভাবে শ্রমিক-কর্মচারীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
  • সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য লোকসমাগম এড়িয়ে চলতে শ্রমিকদের পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে।
  • করোনা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে আইসোলেশনে রাখতে হবে।
  • নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হলে রোগীকে আইসোলেশনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করতে হবে কারখানা কর্তৃপক্ষকে।

সরকারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা গাইডলাইন ও হেলথ প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছিল। অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

ইবাংলা /টিপি/৫ ডিসেম্বর ২০২১

Contact Us